Social Icons

রবিবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০১৩

জেএসসি-জেডিসির ফল প্রকাশ

জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষায় পাসের গড় হার ৮৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ। মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে এক লাখ ৭২ হাজার ২০৮ জন শিক্ষার্থী।
আজ রোববার বেলা ১১টার কিছু আগে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে ফলাফলের এ অনুলিপি তুলে দেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। এ সময় শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বোর্ডের চেয়ারম্যানরা উপস্থিত ছিলেন।
এই দুই পরীক্ষার মধ্যে জেএসসিতে পাশের হার ৮৯ দশমিক ৭১ ও জেডিসিতে ৯১ দশমিক ১১ শতাংশ।
এবার প্রায় ১৯ লাখ পরীক্ষার্থী থাকলেও মোট ১৬ লাখ ৭৫ হাজার ১০৯ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে।
বেলা দুইটায় শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট, সংশ্লিষ্ট পরীক্ষাকেন্দ্র, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং মুঠোফোনের খুদেবার্তার মাধ্যমে একযোগে প্রকাশ করা হবে(আমাদের ওয়েব সাইটেও পাবেন ।রেজাল্ট দেখতে নিচে তথ্য পূরন করে সাবমিট করুন )। কেন্দ্র সচিবদের কাছ থেকে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষাকেন্দ্রের আওতাধীন সব প্রতিষ্ঠানের প্রধানেরা তাঁদের পরীক্ষার্থীর ফল সংগ্রহ করতে পারবেন।
এর আগে বেলা একটায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে শিক্ষামন্ত্রী এ ফল উপস্থাপন করবেন।
গতকাল শনিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে ই-মেইল বা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে পাওয়া ফলাফল ডাউনলোড করে প্রকাশ করার জন্য www.educationboard.gov.bdওয়েবসাইটের webmail ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠানের EIIN-এর মাধ্যমে ফল ডাউনলোড করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফল নিজ নিজ কেন্দ্র বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে সংগ্রহ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া পরীক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট ঠিকানা www.educationboardresults.gov.bd এবং সংশ্লিষ্ট বোর্ডের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ফল সংগ্রহ করতে পারবেন।
খুদেবার্তার মাধ্যমে ফল পাওয়ার পদ্ধতি টেলিটক বাংলাদেশের বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানা যাবে।
এবার শীর্ষ প্রতিষ্ঠান বাছাইয়ের ক্ষেত্রে পাঁচটি বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। এগুলো হলো—নিবন্ধিত প্রার্থীদের মধ্যে নিয়মিত পরীক্ষায় পাসের হার, শতকরা পাসের হার, মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পাওয়ার হার, পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ও প্রতিষ্ঠানের গড় জিপিএ।
শিক্ষা বোর্ড, শিক্ষা মন্ত্রণালয় বা পত্রিকা অফিসে কোনো ফল পাওয়া যাবে না বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের জন্য এসএমএসের মাধ্যমে ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৮ জানুয়ারি পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। আর আবেদন পদ্ধতি টেলিটক বাংলাদেশের বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানা যাবে।
ফলাফল দেখতে নিচে সঠিক তথ্য দিয়ে সাবমিট করুন


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন