Social Icons

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০১৩

মোবাইল অ্যাপস ডেভলপমেন্টে প্রশিক্ষণ

আইসিটি মন্ত্রণালয়ের সাথে আইডিইবি'র উদ্যোগে অ্যাপস ডেভেলপমেন্টে  প্রশিক্ষণের সুযোগ

☞ প্রশিক্ষণের নামঃ মোবাইল অ্যাপস ডেভেলপমেন্ট।

☞ প্রশিক্ষণের পূর্বশর্তঃ প্রার্থীকে অবশ্যই Java অথবা C++ প্রোগ্রামিং জানতে হবে।

☞ নিম্নলিখিত লিংকে ক্লিক করে রেজিস্ট্রেশন করুন।
http://www.nationalappsbd.com/?page_id=1144

☞ সফলভাবে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করার পর নিন্মের লিংক থেকে ২০ মিনিটের অনলাইন Skill Test Exam দিতে হবে।
http://www.nationalappsbd.com/?page_id=1151

☞ Skill Test Test এর পর, আপনার টেস্টের Username, নাম, মোবাইল নাম্বার, ইমেইল এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং অভিজ্ঞতা আমাদের ফেইসবুক পেজের ম্যাসেজ অপশনে অবশ্যই প্রেরণ করতে হবে ।

আর জানতে যোগাযোগ করুন,
আইডিইবি ভবন, স্টাডি এন্ড রিসার্চ সেল, তৃতীয় তলা ।
মোবাইল ০১৬৭২৩৫৭৮৩০
Email: khondkarmahmud@ymail.com

বিদ্র ঃ পলিটেকনিকের শিক্ষাত্রীরা রেজিস্ট্রেশান এর পর আপনার নাম ফোন নাম্বার ও আইডি কমেন্টে ম্যসেজ করুন । যারা ইউনিভার্সিটির শিক্ষাত্রী নন তারা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নামের জায়গায় বাংলাদেশ সিলেক্ট করুন । রেজিস্ত্রেশানে সমস্যা হলে কমেন্টে জানান । রেজিশট্রেশানের শেষ সময় ৭ জানুয়ারি ।

বৃহস্পতিবার, ১০ অক্টোবর, ২০১৩

IEB -র ওয়েবসাইট হ্যাক

ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার কত্রিক হ্যকিং হল ইন্সটিটিউশান ওব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের (IEB) । গতকাল বিকাল থেকে আইইবির ওয়েবসাইটে দেখা যাচ্ছে হ্যাকড বাই ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স অব বাংলাদেশ ,হুয়াই ইউ আর পকেয়িং উইদ আস , সহ বেশ কিছু কথা এছারাও একটা ছবিতে বলা হচ্ছে
""চ্যলেনজ অ্যক্সেপ্টেড """'
(( www.iebbd.org )))
এদিকে হ্যকিঙ্গের পর বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগের সাইটে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারেরা উল্লাস প্রকাশ করে । এবং তাদের দাবি দাওয়া গুলা মেনে নেওয়ার আহবান জনানো হয় ।

বেশ কিছুদিন ধরেয় ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের সাথে IEB  মুখোমুখি অবস্থান করছে । ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য সরকার ঘোষিত সুবিধা প্রদানে বাধা দান সহ বিভিন্ন বিষয়ে বিরোধিতা করছে আইইবি । এদিকে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারেরাও তাদের অবস্থান থেকে এক কদম না সরতে অনড় । এরি ধারাবাহিকতায় আইইবির ওয়েবসাইট হ্যাক করা হয় ।

বুধবার, ২ অক্টোবর, ২০১৩

৩জি ,৩.৫ জি ,৩.৭ জি ও ৩.৯ জি সম্পর্কে সকল তথ্য


বাংলাদেশকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিকে আরো একধাপ এগিয়ে নিতে টেলিটকের পর এবার 3G সেবা প্রদানের লাইসেন্স পেল ৪টি মোবাইল ফোন অপারেটর । আর সবচেয়ে বেশি 3G সেবা প্রদানের জন্য
গ্রামীন ফোন ১০ মেগাহার্জের লাইসেন্স কিনেছে ১৬৩২ কোটি টাকায় রবি ,বাংলালিংক , এয়ারটেল ৫মেগাহার্জের জন্য লাইসেন্স কিনেছে ৮১৬ কোটি টাকায় । এবং টেলিটকের জন্য আগে থেকেয়  বরাদ্ধ ছিলা১০মেগাহার্জ ।  তবে সবচেয়ে বড় খবর এইযে 3G লাইসেন্সেয় অপারেটররা 4G সেবা চালু করতে পারবে এবং ৯ মাসের মধ্যে সকল জেলায় 3G কভারেজ দিতে না পারলে লাইসেন্স বাতিল হয়েযাবে । এ কারনে আমরা অতি দ্রুত দেশের সকল প্রান্ত থেকে 3G সুবিধা পাব একি সাথে কোন দীর্ঘ অপেক্ষা ছারা 4G নেটওয়ার্কেও আপগ্রেশানের সুযোগ পাব । 3G নেটওয়ার্কে আমরা পাব অতি দ্রুত গতির ইন্টারনেট ,মোবাইলে ভিডিও
কল ,মোবাইল টিভি ,জিপিএস নেভিগেশান ,উন্নত ভয়েস কলিং সুবিধা সহ অনেক কিছু । আর এটা বদলে দিবে আপ্নার ইন্টারনেট ও মোবাইল ফোন ব্যবহারের অভিজ্ঞতা । ৪ টি বেসরকারি ও ১ টি সরকারি সহ মোট 3G অপারেটরের সংখ্যা হল
৫টি তবে বাংলাদেশের একমাত্র সিডিএমএ অপারেটর সিটিসেল এই নিলামে অংশ নেয় নি । তাই সিটিসেল গ্রাহকরা 3G সেবা থেকে বঞ্জিত হচ্ছেন।

তবে ৩জি সেবা দেওয়ার জন্য অপারেটর গুল ৩জির বিভিন্ন প্রযুক্তি ব্যবহার করছে । এর মধ্যে রয়েছে 3.5 G ,3.7G ,3.9G । আসুন এবার জেনে নিই এই তিটি প্রযুক্তি সম্পর্কে ।
টেলিটক ও রবি ব্যবহার করছে 3.5G প্রযুক্তি ।
3.5G হলো HSDPA (High Speed Downlink Packet Access) হাই স্পিড ডাউনলিংক প্যাকেট অ্যাক্সেস, যার মাধ্যমে প্রতি সেকেন্ডে 7.2 Mbit
ডাটা পাওয়া সম্ভব। HSUPA (High
Speed Uplink Packet Access) হাই স্পিড আপলিংক প্যাকেট এক্সেস এর মাধ্যমে প্রতি সেকেন্ডে 5.8 mbit আপলোড স্পীড পাওয়া যায়।

3.7G হলো HSPA (High Speed Packet Access) হাই স্পিড প্যাকেট এক্সেস যার মাধ্যমে প্রতি সেকেন্ডে 21থেকে 28 mbit স্পিড পাওয়া সম্ভব।

অপরদিকে  গ্রামীণফোন নিয়ে আসছে 3G র সবচেয়ে উন্নত প্রযুক্তি  3.9G HSPA+ technology ।
3.9G হল 4G র পূর্ব ভার্সন । এটা HSPA+(Evolved High Speed Packet Access) প্রযুক্তি যা দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে 168Mbit পর্যন্ত  পাওয়া সম্ভব।
এরপরের ভার্সন হল  4G।

3G নেটওয়ার্কের লাইসেন্সে 4G আপগ্রেশানের সুযোগ থাকলেও 4G সবা পেতে হয়ত আমাদের
আরো অপেক্ষা করতে হতে পারে । কেননা 3G নেটওয়ার্ক 2G কম্পিটেবল হলেও 4G নেটওয়ার্ক 2G কম্পিটেবল নয় । অর্থাত আমরা 3G নেটওয়ার্কে 2G সেট ব্যবহার করতে পারলেও 4G নেটওয়ার্কে 2G ফোন ব্যবহার
করতে পারবনা । ফলে অকার্যকর হয়ে পরবে ১০ কোটির বেশি 2G সেট । তখন আমাদের সকলকে কিনতে হবে 4G অথবা 3G ফোন । এজন্য 4G সংযোগ পেতেও আমাদের বেশ কিছুদিন অপেক্ষা করতে হতে পারে ।

থ্রিজি সম্পর্কে আরও জানতে এখানে ক্লিক করুন 

বুধবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৩

আইডিইবর অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ


২৪ শে সেপ্টেম্বার সরকারি-বেসরকারি পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট প্রিন্সিপাল কনফারেন্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে ইন্সটিটিউশান ওব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ,বাংলাদেশ-আইডিইবির  অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ উদ্ভোদন করেন  স্থানীয় সরকার সচিব জনাব আবু আলম মো : শহীদ খান ।  আইডিইবির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ  লাইক করতে ভিজিট করুন
 http://www.facebook.com/ideb.bd 

বুধবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৩

থ্রিজি তৃতীয় প্রজন্মের নেটওয়ার্ক 3G Netwoark

বাংলাদেশকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিকে আরো একধাপ এগিয়ে নিতে টেলিটকের পর এবার 3G সেবা প্রদানের লাইসেন্স পেল ৪টি মোবাইল ফোন অপারেটর । আর সবচেয়ে বেশি 3G সেবা প্রদানের জন্য গ্রামীন ফোন ১০ মেগাহার্জের লাইসেন্স কিনেছে ১৬৩২ কোটি টাকায় রবি ,বাংলালিংক ,এয়ারটেল ৫মেগাহার্জের জন্য লাইসেন্স কিনেছে ৮১৬ কোটি টাকায় । তবে সবচেয়ে বড় খবর এইযে 3G লাইসেন্সেয় অপারেটররা 4G সেবা চালু করতে পারবে এবং ৯ মাসের মধ্যে সকল জেলায় 3G কভারেজ দিতে না পারলে লাইসেন্স বাতিল হয়েযাবে । এ কারনে আমরা অতি দ্রুত দেশের সকল প্রান্ত থেকে 3G সুবিধা পাব একি সাথে কোন দীর্ঘ অপেক্ষা ছারা 4G নেটওয়ার্কেও আপগ্রেশানের সুযোগ পাব ।
3G নেটওয়ার্কে আমরা পাব অতি দ্রুত গতির ইন্টারনেট ,মোবাইলে ভিডিও কল ,মোবাইল টিভি ,জিপিএস নেভিগেশান ,উন্নত ভয়েস কলিং সুবিধা সহ অনেক কিছু । আর এটা বদলে দিবে আপ্নার ইন্টারনেট ও মোবাইল ফোন ব্যবহারের অভিজ্ঞতা । ৪ টি বেসরকারি ও ১ টি সরকারি সহ মোট 3G অপারেটরের সংখ্যা হল ৫টি তবে বাংলাদেশের একমাত্র সিডিএমএ অপারেটর সিটিসেল এই নিলামে অংশ নেয় নি । তাই সিটিসেল গ্রাহকরা 3G সেবা থেকে বঞ্জিত হচ্ছেন ।

3G নেটওয়ার্কের লাইসেন্সে 4G আপগ্রেশানের সুযোগ থাকলেও 4G সবা পেতে হয়ত আমাদের আরো অপেক্ষা করতে হতে পারে । কেননা 3G নেটওয়ার্ক 2G কম্পিটেবল হলেও 4G নেটওয়ার্ক 2G কম্পিটেবল নয় । অর্থাত আমরা 3G নেটওয়ার্কে 2G সেট ব্যবহার করতে পারলেও 4G নেটওয়ার্কে 2G ফোন ব্যবহার করতে পারবনা । ফলে অকার্যকর হয়ে পরবে ১০ কোটির বেশি 2G সেট । তখন আমাদের সকলকে কিনতে হবে 4G অথবা 3G ফোন । এজন্য 4G সংযোগ পেতেও আমাদের বেশ কিছুদিন অপেক্ষা করতে হতে পারে ।